সিলেট মহিলা কলেজের অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে: পরিকল্পনামন্ত্রী

আধুনিক শিক্ষার প্রসারে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মানান। একই সাথে তিনি সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ একদিন নারী জাগরণে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলেও আশাপ্রকাশ করেছেন।

শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩ টায় সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের অডিটোরিয়ামে কলেজের সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ব্যাপকভাবে কাজ করছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী পরিকল্পনায় শিক্ষা এবং শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার উন্নয়নে খুবই আন্তরিক। আর একারণে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে ।

মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হায়াতুল ইসলাম আকঞ্জীর সভাপতিত্বে ও বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অনুপা নাহার ওয়ালেদা সঞ্চালনায় পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নতুন প্রজন্মের মাঝে একুশের চেতনা জাগ্রত করার পাশাপাশি তাদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সকল মহলকেই এগিয়ে আসতে হবে। ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ইতিহাস নতুন প্রজন্মকে ছড়িয়ে দেওয়া না গেলে তারা দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হবেনা। নতুন প্রজন্মই যেহেতু আগামীতে এই দেশ পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে একারণে পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনকেও দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এগিয়ে আসার কোন বিকল্প নেই।

এম এ মান্নান আরো বলেন, শিক্ষার উন্নয়নে বর্তমান সরকার খুবই আন্তরিক। শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়ন করায় বাংলাদেশ শিক্ষাক্ষেত্রে বিশ্বের রোল মডেলে পরিণত হচ্ছে।

তিনি বলেন, সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ একদিন নারী জাগরণে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। আধুনিক শিক্ষার প্রসারে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, আলোকিত জনগোষ্ঠী গড়তে বাংলাদেশে শিক্ষার গুণগত মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত এক দশকে শিক্ষার সর্বস্তরের চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শিক্ষার এই ব্যাপক অগ্রগতি ও সক্ষমতা অর্জন অর্থনীতির ভিত্তিকেও করেছে মজবুত ও টেকসই, দেশকে বিশ্বের বুকে দিয়েছে পৃথক পরিচিতি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আনজুমান আরা বেগম। এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন। সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন, জগন্নাথ পুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আকমল হোসেন,সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবির। অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

শেয়ার করুন